Obama announces new ambassador for Bangladesh

It’s often said that the appointments of US Embassadors reflect America’s ongoing foreign policy toward a country. Many US Embassadors had the chance to witness or actively engage in Bangladesh’s political changes.

Hermann Ellis was the first ambassador to get appointed in the independent Bangladesh, but he declined the appointment.

Davis Boster was in Dhaka during the terrifying moments of 1974-76. William Milam saw the fall of a long-standing dictator in 1990. Harry Thomas was here when grenades and bombs were terrorizing public gatherings during 2003-05. Patricia Butenis was here when the country was falling from political fry pan to civil-military fire during 2006-07. James Moriarty came during the unelected regime of FUA-MUA’s CTG. And over the fold is Obama administration’s announcement re the new ambassador for Bangladesh. I wonder what he is going to witness during the coming years!
Read more of this post

এক যোদ্ধা-দম্পতির প্রেম ও যুদ্ধ

[সচলায়তনে প্রকাশিত]

প্রথম যুদ্ধ

বানু বিবি যখন নিতান্তই অপ্রাপ্তবয়স্কা কিশোরি, রুস্তম বেপারী তখন বয়:প্রাপ্ত যুবক। দুজনের বাড়ি ছিল নদীর দুই পাড়ে—পূর্বে বানু বিবি আর পশ্চিমে রুস্তম বেপারী। কিন্তু প্রকৃতির কী খেয়াল, নদীর ভাঙন বানু বিবিকেও নিয়ে এলো এই পাড়ে। ভাঙনের পর বানু বিবির বাবা নতুন ঘর তুললেন শরিয়তপুর এসে। পাশের বাড়িটিই ইকবাল আহমেদ বাচ্চুর—যেই বাড়িতেই দিনমজুরের কাজ করেন রুস্তম বেপারী। সেখানেই বানু-রুস্তমের প্রথম পরিচয়।

বেনী দুলিয়ে ছুটে বেড়ানো বানু বিবি আর ক্ষেতের মাঝ দিয়ে হেটে চলা রুস্তমের চোখে কী দেখেছিলেন বানু আর রুস্তমের বাবা কে জানে, কিন্তু দুজনেই এই উচ্ছল কিশোরী আর যুবকটিকে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করতে মনস্থির করলেন। কিন্তু বানুর দাদা সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলেন—বানুকে তিনি অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় বিবাহ দিবেন না।

সুখের দিন দ্রুত যায়, অপেক্ষার প্রহর থমকে থাকে। দাদা যেন সুনীলের ‘মামা বাড়ির মাঝি নাদের আলী’—

‘বড় হও বানু বিবি!’ Read more of this post

একাত্তরে বিহারি নির্যাতন

[সচলায়তনে প্রকাশিত]

একাত্তরে বাঙালির উপর পাকিস্তানিদের গণহত্যা নিয়ে যতটুকু কাজ হয়েছে, বিহারীদের প্রতি বাঙালিদের নির্যাতন নিয়ে কাজ হয়েছে তারচে’ কম। যুদ্ধে গণহত্যা নিয়ে যেমন বিস্তর গবেষণা হয়, যুদ্ধের পর বিজিতের উপর বিজয়ীর অত্যাচার নিয়েও তেমনি অনেক অনুসন্ধানী রিপোর্ট হয়ে থাকে। বিজিতের উপর বিজয়ীর অত্যাচার ভয়ংকর হতে পারে। এমনকি ধর্মের নামেও ইতিহাসে যেসব যুদ্ধ হয়েছে, সেখানেও বিজিতের স্ত্রী-কন্যাদের গনিমতের মাল হিসেবে অধিগ্রহণ করে দাসী বা যৌনদাসী বানিয়ে রাখার প্রচলন ছিল। ফরাসী বিপ্লবের পর গণহারে ‘বিপ্লবের শত্রুদের’ হত্যাকান্ডের বিভৎস বিবরণ ইতিহাসেরই অংশ।

দুর্ভাগ্যজনক ভাবে একাত্তরে পাকিস্তানি সৈন্যদের চালিত গণহত্যা এবং যুদ্ধপরবর্তী সময়ে বিজয়ী বাঙালিদের হাতে বিহারিদের অবস্থা—উভয় নিয়েই লেখালেখির পরিমান অনেক কম। হাটে-মাঠে-ঘাটে পড়ে থাকা লক্ষ লাশের ছবিগুলো যেমন পাকিস্তানিদের চালানো গণহত্যার নিরব সাক্ষী হয়ে আছে; তেমনি, যুদ্ধের পর কাদের সিদ্দিকীর ‘বিচার কর্মের’ ছবিটিও ভিক্টরস জাস্টিস হিসেবে সারা বিশ্বে প্রচার পেয়েছে।

সভ্যতা আর মানবিকতার বিচারে হত্যাকান্ড—হত্যাকান্ডই, তা সে একটিই হোক আর লক্ষটিই হোক। কোন পরিবারই যেন এ ধরনের বিচারবহির্ভুত হত্যাকান্ডের স্বীকার না হয়, তা নিশ্চিত করা জরুরী। ঠিক একারনেই পাকিস্তানি ও তাদের এদেশিয় বাঙালি-বিহারি দোসরদের হাতে লক্ষ লক্ষ বাঙালির গণহত্যার তদন্তের পাশিপাশি, অতি উৎসাহী যেসব বাঙালির হাতে বিহারিরা নির্মম পরিণতির স্বীকার হয়েছিলো, তারও তদন্ত প্রয়োজন। এই অতীত কর্মকান্ডের মূল্যায়ন ভবিষ্যতে এর পুনরাবৃত্তি ঘটাকে বিরত রাখবে। Read more of this post

একজন নাদির আলি এবং পাকিস্তানে কাউন্টার ন্যারেটিভ

[সচলায়তনে প্রকাশিত]

ঢাকায় ফিরেই যে নাদির আলির মুখোমুখি হবার সুযোগ হবে, তা কখোনই চিন্তা করিনি। পাকআর্মির অবসরপ্রাপ্ত কর্ণেল নাদির আলীকে নিয়ে আমার প্রাথমিক ভাবনা খুবই বিশৃঙ্খল ছিল। গত মাসেই আমি বিস্ময় নিয়ে কুখ্যাত খুনি ডেরেক পেরছি-র কাহিনী পড়ছিলাম। সিরিয়াল কীলার হয়েও কীভাবে একজন খুনি সাজা এড়াতে নিজেকে অপ্রকৃতিস্থ প্রমাণ করে, আর বিবেকের দংশন থেকে বাঁচার জন্য সত্যি সত্যিই জীবনের ভয়ংকর অপকর্মের স্মৃতি মন থেকে পুরোপুরি মুছে ফেলতে পারে , তা তার কাহিনী না পড়লে জানতাম না। ডেরেক-এর এই কাহিনী যখন পড়ছিলাম, ঠিক তখনই নাদির আলীর লেখাটা পেলাম । ভদ্রলোক একাত্তরে পাকআর্মির মেজর হিসেবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন। তাঁর লেখাতেই জানলাম, একাত্তরে পাকবাহিনীর বর্বরতা দেখে তিনি নিজেই অপ্রকৃতিস্থ হয়ে যান। যুদ্ধের দ্বায়িত্ব থেকে সরিয়ে তখন তাকে চিকিৎসার জন্য পাঠিয়ে দেয়া হয়। একাত্তরে বাংলাদেশে অবস্থানকালীন সময়ের কিছু অংশের স্মৃতি তিনি তখন পুরোপুরিভাবে হারিয়ে ফেলেন।

পাকবাহিনীর প্রাক্তন সদস্য হয়েও, একাত্তরে পাকবাহিনীর নৃশংসতা তুলে ধরার জন্য আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞ হই। কিন্তু তিনি যখন বলেন, “আমার স্মৃতিভ্রম হয়েছে, কিন্তু আমি জানি যে আমি নিজে কোন খুন করিনি”, তখন বিভ্রান্ত হই। বিবেকের দংশন থেকে মুক্তির জন্য নিজের অপকর্মের স্মৃতি ভুলে যাবার যে ঘটনা আমি ডেরেক পেরছির জীবনীতে পড়ছিলাম, তা আমাকে বিভ্রান্ত করে।

গত ১৬ এবং ১৭ই মার্চে বিডিআই আর ‘১৯৭১ কালেক্টিভ-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত দুই দিন ব্যপী এক ওয়ার্কশপে তাঁর সাথে দেখা। Read more of this post

Legitimate vs. Authoritarian Policy Making

Published in the Forum (January 2011)

Bangladesh’s experience with public policy making over the past four decades has been perplexed by an awkward political dilemma. On one hand, democratic and legitimate reform initiatives have endured barriers to implementation; while on the other, many successful reform initiatives have suffered from lack of legitimacy.

Lack of authority has always been a barrier to policy reform, while public support and legitimacy has been the most essential feature of public policy. Balancing the two is difficult and remains as a litmus test for any policy maker. Ironically, our policy makers have always preferred the easier option — acquiring authority and ignoring legitimacy. Though authoritarian governments may seem more successful in implementing reforms, authoritarianism often leads to autocracy and reforms achieved through this process are not beneficial for the country.

This article briefly explores the dilemma between legitimate and authoritarian policy making in Bangladesh. For that, it also analyses the changing roles and relationships of four most influential policy makers of the country — the politician, the military, the donor and the bureaucrat. Read more of this post

উইকিলিকসে বাংলাদেশ

সচলায়তনে প্রকাশিত (১৮.১২.২০১০)

কেবলগেটের শুরুতেই উইকিলিকস প্রকাশিতব্য আড়াই লক্ষাধিক বাতার্র একটি তালিকা দিয়েছিল, যেখানে বাংলাদেশস্থ মার্কিন দূতাবাস থেকে প্রেরিত প্রায় দুই হাজার বার্তাও আছে বলে জানানো হয়েছিল। এই বার্তাগুলি এখনোও প্রকাশিত হয়নি।

গতকাল বিডিনিউজ যে বার্তাগুলি নিয়ে রিপোর্ট করেছে, তার কোনটিই “এক্সক্লুসিভলি” তাদেরকে দেয়া হয়নি, বরং তা এ মাসের শুরু থেকেই উইকিলিকসের সাইটে ঝুলছে। বিভিন্ন দেশের মার্কিন দূতাবাস থেকে পাঠানো যেসব বার্তা উইকিলিকস প্রকাশ করেছে, সেখানে বাংলাদেশের কিছু ঘটনার উল্লেখ আছে। গতকাল থেকে বিডিনিউজ “ওয়ার্ল্ড এক্সক্লুসিভ” দাবী করে যে বার্তাগুলি নিয়ে রিপোর্ট করছে, সেগুলিও তাই। এগুলি বাংলাদেশস্থ মার্কিন দূতাবাস থেকে প্রেরিত বার্তাগুলির অংশ নয়।

উইকিলিকসের লক্ষাধিক বার্তার মধ্য থেকে বাংলাদেশ সংক্রান্ত বার্তা বের করতে মাত্র কয়েক সেকেন্ড সময় লাগে। আপনি এখানে ক্লিক করলেই বাংলাদেশ সংক্রান্ত অধিকাংশ বার্তা পেয়ে যাবেন; বা গুগলে site:wikileaks.ch Dhaka OR Bangladesh লিখে সার্চ দিলেই গুগল আপনাকে একটি লিস্ট দিয়ে দিবে। এখন যে কোন বার্তায় গিয়ে শুধু ctrl+F চেপে Dhaka বা Bangladesh খোঁজ করুন, পেয়ে যাবেন। চাইলে অন্য যেকোন শব্দ বা শব্দবন্ধ দিয়েও সার্চ করতে পারেন।

আমি ব্যক্তিগত ভাবে সচলের কয়েকজনকে জানি যারা একই পদ্ধতি অনুসরণ করে উইকিলিকসে নিয়মিত নজর রাখছেন বাংলাদেশস্থ মার্কিন দূতাবাস থেকে পাঠানো বার্তাগুলির জন্য। তাহলে এখানে এই সহজলভ্য বিষয়টির অবতারনা কেন?

কারন এখানে দেখুন। আদিখ্যেতা কোন পর্যায়ে পৌছুলে ইতমধ্যে প্রকাশিত একটি বিষয় “এক্সক্লুসিভলি হস্তগত হয়েছে” দাবী করে প্রায় এক হাজার শব্দের একটি ভুমিকা দেয়া সম্ভব? এ নিয়ে আর কিছু না বলে সচল পাঠকদের এই লিংক থেকে ভুমিকাটা একটু পড়ে দেখবার অনুরোধ করছি, যা এই লেখাটি প্রকাশের পর বিডিনিউজ থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে* হাসি

এক্সক্লুসিভনেস প্রমাণে Read more of this post

Lie u ten ant

On 13 November 2010, the opposition leader Khaleda Zia accused the government of ‘forcefully and disgracefully evicting her’ from her cantonment residence. Ironically the same day, some Awami League leaders thanked her for ‘upholding the rule of law’ by vacating the house ‘willingly’.

In the press briefing, the lamenting opposition leader said, “I feel harassed, humiliated and ashamed of the way I was thrown out of my home”. But the Inter Services Public Relations (ISPR) of the armed forces dismissed her claim as ‘false and fabricated’. They even accused the opposition leader of hurling abuses at army personnel. The accusations, counter-accusations went on and some pro-BNP ex-military officials criticised the ISPR for acting political.

In October, a train ran over and killed a number of participants attending a BNP rally that spilled onto the nearby railway tracks. The leader of the opposition said that the incident was a deliberate attempt by the government to foil her rally. The prime minister refuted by accusing the opposition for deliberately resorting to ‘politics of corpse’. Both accusations were made even before any investigation was carried out.

In September, some senior government officials of Pabna district were maliciously assaulted. In a press conference, the weeping officials accused the supporters of the local AL lawmaker for the attack. But without any proper investigation, the state minister for home claimed that ‘the militants and anti-liberation forces backed the attack and they did not belong to the Awami League’.

When political leaders or institutions offer conflicting versions of the fact, it only means that at least one side is lying. Read more of this post

মাশুল নেয়া, মাশুল দেয়া

Mashul Deya Neya

This Time for the Judiciary

Bangladesh has time and again been failed by the legislature and the executive branches of subsequent governments, regardless of whether they came to power through free and fair election, ballot-manipulation, or bullet-mayhem. Time and again, Bangladesh has rest its hope on these two branches in its pursuit of democracy. The Judiciary in contrast remained relatively less talked about. Well, that was until the Supreme Court’s Fifth Amendment verdict was delivered. And this time, our political discourse is even risking ‘contempt of court’ debating the pros and cons of its consequences.

However, the Indian Supreme Court has recently declared that fair criticism of judicial verdict is part of the fundamental right of freedom of speech. In the case of Hari Nagra v Kapil Sibal, the Court held that fair criticism must be encouraged as no one, ‘much less judges’, can claim infallibility. Given the judicial convention of getting influenced by opinions of neighbouring Courts, a standard evident in the Fifth Amendment verdict, this is encouraging.

With that in mind, this article discusses some pertinent matters concerning the Judiciary, using the controversial judicial history of the United States, where the Court not only holds a liberal view on contempt of court, but also has a long history to offer lessons for others.

Watching the watchmen
Ever wondered why the Judiciary has the guardianship to preserve, protect and defend the Constitution — despite the fact that the Executive and the Legislature are elected representatives of the people? Read more of this post

It’s Inequality, Stupid!

Published in BDNews24 as “Socialism Debate”

 

A spectre looms over Bangladesh, the spectre of socialism, since the Fifth Amendment verdict.

In its simplest definition, socialism promotes public ownership of the means of production and distribution of resources. But as we are debating the issue of means of production, we are missing the forest for the tree.

Let’s muse over Bangladesh’s experience with socialism and reverse-socialism to identify that missing link.

A journey towards socialism

Even before the independence, Awami League campaigned for socialism and promised nationalisation of heavy industries in its 1970 election manifesto. So after the independence, ‘socialism’ became part of the fundamental principles of the constitution.

The first Industrial Investment Policy promoted nationalisation as a means of production for ‘Socialism being one of the fundamental precepts of State policy’.

So when the post-independence government nationalised all industries that were abandoned by the former Pakistani owners, they nationalised Bengali-owned big industries too. About 92 percent of nation’s industrial fixed assets came under the nationalisation process.

However, mismanagement of the industries not only failed to serve the purpose, it damaged further investment prospect in the private sector. Amid the growing socio-economic crisis of the country, the investment policy was finally revised in July 1974 to increase the ceiling on private sector investment and offer monetary and fiscal incentives to encourage private investment.

Then, the reverse-socialism

After the 15 August massacre, subsequent martial law governments abandoned ‘socialism’ as state principle and pursued a growth strategy based on privately owned means of production. Read more of this post

What AL-BNP Wish For!

[Updates: Added notes and web screenshots for clarification. See notes at the end]

Everyone is talking about the fundamental principles of Bangladesh’s Constitution. But have you seen the fundamental principles and ideologies of the political parties that by turn comes to power for the implementation of constitutional goals?

al-cons

Council2
.

.

.

.

.

.

1. AL’s fundamental principles on economy is more consistent with the post-1975 amendments of the constitution;

2. BNP on the other hand proclaims militarism and association with Jamaat as part of its “party ideology”!

Some details, and few questions over the fold.

Read more of this post

Abusing the War Crimes Trial

1.
We have witnessed how political exploitation hindered the earlier process of war crimes trial. Over the last four decades, politicisation has been used to embed a division within the society for personal and partisan political benefits. This article reviews some of those post-independence schisms and argues why we need to be vigilant to not let the current trial effort get mired by opportunistic elements.

During the nine months of the Liberation War, like most Bangalis, the Bangali civil servants took a range of roles—some valiantly joined the War with arms, some joined the Mujibnagar government-in-exile to help coordinate administrative and diplomatic aspects of the Liberation War, some went to India, and some stayed back and supported the Mukti Bahini while keeping it together despite assaults from the Pakistani army during the War. Many Bangali civil servants positioned in the pre-war West Pakistan were detained and held hostages by Pakistani government as bargaining chip to free the Pakistani prisoners of war. Not everyone who left the country became a freedom fighter. And most people who stayed in the country or got stranded in Pakistan were not collaborator either. However, the latter groups were seriously discriminated against by the first post-independence administration. Read more of this post

Condoning

In one dark night, Kolimuddi kidnapped Rahima from her house and got caught by the village guard—Ansar. Ansar hurriedly performed a marriage ceremony between Kolimuddi and Rahima.

For decades, people of that village will question—why the Ansar would do such a thing? His opponents would argue, he should have saved Rahima from Kolimuddi instead of legalising the abduction. His supporters would argue that the Ansar had no choice but to make Kolimuddi marry her to save her honour. Whatever the case may be, by the next year, Kolimiddi and Rahima had their first child—Nuru Mia. Few more years passed… Nuru Mia enrolled in a school. And then the unexpected thing happened.

You see, Kolimuddi did not take a birth certificate from the local council when Nuru was born. He feared, this might reveal his kidnap case. But now that Nuru is enrolled in the school, a birth certificate is needed. School contacted the local council, the local council enquired Kolimuddi’s marriage details… and then, long story short, everything came out. Soon the local Morol called on Kolimuddi and Rahima to a village Shalish.

: Are you two married? Asked the Morol.

: Yes Hujur, the Anser performed our marriage. Said Kolimuddi to assure him.

: What? Anser? What jurisdiction does he have to conduct a marriage? Asked the angry Morol. Read more of this post

Amending the Constitution (or putting the cart before the horse)

People are probably more interested in electricity and price issue than constitutional amendments. But let’s face it- politicians are taking about it, and so are we. Just to help an informed discussion, here are some facts in chronological order related to constitutional amendments in Bangladesh. It only lists events that are related to the current debate, not all amendments… and I am adding new info as I find them:

1972

The Constitution of Bangladesh was introduced. Article 7(2) of the constitution was set to establish the “Supremacy of the Constitution” as it reads-

7. (2) This Constitution is, as the solemn expression of the will of the people, the supreme law of the Republic, and if any other law is inconsistent with this Constitution and other law shall, to the extent of the inconsistency, be void.

While setting the procedures for constitutional amendments, the Constitution established supremacy of the act of parliament in this regard. The Article 142 of the 1972 Constitution noted-

142. Notwithstanding anything contained in this Constitution- (a) any provision thereof may be amended or repealed by Act of Parliament.

1973

The first Parliamentary Election was held on 07 March 1973. Sheikh Mujibur Rahman’s Awami League secured 276 of the 300-seat parliament (73.7% of total vote cast)…more than the required 2/3rd majority to amend the constitution.

The Constitution (First Amendment) Act 1973 was passed to add article 47(3) for the detention and trial of war criminals reducing their fundamental rights.


1975
Using the overwhelming majority in the parliament, Awami League passed the Constitution (Fourth Amendment) Act, 1975. Among other things, it introduced presidential form of government replacing the parliamentary system and imposed a one-party system in place of the existing multi-party political system.

On 15 August, Sheikh Mujibur Rahman was killed along with his most family members. The military proclaimed martial law in the country and suspended the Constitution with effect from August 15, 1975. Khondaker Mostaq Ahmad, x-minister of the assassinated leader’s cabinet, proclaimed himself the President.

The First Schedule of the Constitution was amended by the Second Proclamation Order no III of 1975.

1976

Under a proclamation issued on November 29, 1976, Justice Abusadat Sayem (who assumed the office from Mr Ahmad) handed over the Office of Martial Law Administrator to Major General Ziaur Rahman.

Proclamation Order no IV of 1976 was announced to replace the article 44 (on fundamental rights) of the Constitution.


1977

The new Chief Martial Law Administrator, Ziaur Rahman, announced a series of Martial Law Regulation to amend the Constitution of the country.

Proclamations Order No. 1 of 1977 amended, among others, Article 6 (the citizenship clause); Chapter I of Part VI (the Supreme Court); Article 44 of the Constitution. Read more of this post

Monologue: Sending Troops to Afghanistan

This is how the left and right side of my brain argued about sending troops to Afghanistan—

: It’s not our problem and we have enough problems of our own

: That can’t be a liberal argument. Notwithstanding our poverty, we do send relief to other nations. Bangladesh even offered $1 million to the US for Katrina relief. If we can commit 1 million to their billions, why can’t we commit only couple of hundred non-combatant soldiers? Besides, belief based global insurgency and terrorism is like environmental crisis where “your” and “our” problems overlap.

: Afghan-returnees were the vanguards of Bangladesh’s terrorist groups. So stay away from them.

: Shouldn’t that be more of an argument to send troops to Afghanistan? Bangladesh did not send troops to US-Russia’s proxy war in Afghanistan but that did not stop some of our citizens to join that war and then establish JMB and HuJi after their return.

: USA is desperate because Taliban is not showing any sign of defeat. They want us for their own purpose; we have nothing to gain there. Read more of this post