Circle, circle… dot, dot

Here are some unconnected dot points on recent news and events. This piece doesn’t connect the dots. However, different readers may come to different conclusions by connecting them as they wish-

  • In response to the alleged attack on picketers by Chhatra League activists, AL have suggested that Chhatra League doesn’t belong to AL and AL can’t take their responsibility. The party spokesperson said- “Chhatra League is excluded from the party following amendment of the party constitution as per Election Commission’s RPO requirement. So, its student wing and youth wing would have to be held accountable for their own actions”.
  • During the 1980s, political leaders and activists were cruelly attacked by the “miscreants” and a Dictator always had the innocent face that read “I didn’t do it”!
  • After the fall of the dictator, “miscreants” remained part of the politics. Though BNP’s position was denial of existence in case of “terrorist” (“they are media-creations”); both BNP and AL maintained denial of association re miscreants (“miscreants do not have a party”).

আজ পূর্ণগ্রাস হর্তগ্রহণ

সচলায়তনে প্রকাশিত

আজ বছরের প্রথম পূর্ণগ্রাস হর্তগ্রহণ। সাড়ে তিন বছর পর এই পূর্ণগ্রাস আসায় বাংলাদেশে ব্যপক সাড়া পড়েছে। এই পূর্ণগ্রাস হর্তগ্রহণ উপলক্ষ্যে সরকার ও বিরোধীদল পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছে। বিরোধীদলীয় নেত্রী তাঁর বাণীতে কষ্ট হলেও “মাত্র কয়েকটি ঘণ্টা কাজ বন্ধ রেখে জালেম সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাবার জন্য সর্বস্তরের মানুষের প্রতি আবেদন জানিয়েছেন”।

এ উপলক্ষ্যে বিরোধীদল “স্মৃতি তুমি বেদনা” নামে একটি স্মৃতিচারনমূলক স্মরনীকা প্রকাশ করেছে। এতে বর্তমান বিরোধীদলের দু’বার ক্ষমতায় থাকাকালীন হর্তগ্রহণের বিপক্ষে কঠোর অবস্থান; হরতাল দমনে “আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন ২০০২” প্রবর্তন; এবং একদিন হরতালে কাজ বন্ধ থাকলে দেশ কতগুলো যমুনা সেতু থেকে বঞ্চিত হয় সে সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে।

এদিকে হরতালের কারনে জনজীবনে যে ব্যপক দুভোর্গ হয় তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীও দু:খ প্রকাশ করেছেন। কৃষিমন্ত্রী বলেছেন– হরতাল দিয়ে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে “ওয়াদা খেলাপ করেছে” বিরোরীদল।

হর্তগ্রহণ স্মরণে সরকারীদলও “ভুলোনা আমায়” নামে একটি দেয়ালপত্রিকা প্রকাশ করেছে। এতে তাঁরা বিরোধীদলে থাকা কালে যে শতশত আংশিক ও পূর্ণগ্রাস হর্তগ্রহণ পরিবেশন করেছেন তার সংক্ষিপ্ত বিবরনসহ হরতালের গনতান্ত্রিক অধিকার নিয়ে গবেষণালব্ধ প্রবন্ধ প্রকাশ করেছেন।

হর্তগ্রহণ বাংলাদেশ সময় আজ রবিবার সকাল ৬টা ০০ মিনিট ০০ সেকেন্ডে গ্রহণ শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৬ টা ০০ মিনিট ০০ সেকেন্ডে শেষ হবে। পূর্ণগ্রাস গ্রহণের স্থায়িত্ব হবে ১২ ঘন্টা ০০ সেকেন্ড। রাজধানী ঢাকাসহ বাংলাদেশের সকল জেলায় পূর্ণ হর্তগ্রহণ দেখা গেলেও হর্তগ্রহণের উষ্ণতা রাজধানী ঢাকাতেই বেশি অনুভূত হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এরই মধ্যে হর্তগ্রহণের প্রাক-উষ্ণতায় গতরাতে কিছু গাড়ি ভষ্মীভূত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মহাজাগতিক এ দৃশ্য দেখতে দেশের কোটি কোটি মানুষ আজ বিশেষ ব্যবস্থায় চোখ-কান খোলা রাখবেন বলে অনুমান করা হচ্ছে।

Some questions after Chittagong election

Today, foreign minister Dipu Moni said “Fair polls are possible under this election commission if we can guarantee a true democracy. Chittagong City Corporation election is a glaring example”. BNP leader Salahuddin Quader Chowdhury also seems to be in agreement as he said “a fair election is possible during the term of any political government if it has good intention”. It’s been a while since we last saw the incumbent and the opposition coming to an agreement after an election. Nothing is sweeter, when democracy works.

There are few pockets of twists and disappointments– the loosing candidate avoiding accepting the result (fear of appearing looser?); few supporters of the winning candidate avoiding directly accepting the election as free and fair (fear of appreciating AL?); and some taking it to new levels with very expensive bets. Other than these, everyone else on both sides seems to be happy.

Now that the election–which also saw a trial run of digital-election–ends, this post raises some awkward questions to think about–

1. Election under incumbent?

AL is taking the opportunity to argue that fair polls possible under AL. But, we have seen enough parliamentary, Yes-No, or Presidential elections over the last four decades to learn that, if an incumbent really wants to rig an election, it can do it no matter what. Not to forget, AL also won two City Corporation elections under BNP regime which gave BNP the opportunity to claim similar credit. But that only lasted for few months and country witnessed the infamous Magura election. So my first question is– can AL be any different? Read more of this post

Budget night

Published in the Daily Star (10 June 2010)

TONIGHT is the night of all nights for every citizen who has any interest in or is affected by the annual national budget. The finance minister is probably going through the last minute preparation before presenting the budget for FY2010-11 this evening.

Consumers and businessmen remain in suspense to see the impact of the budget on prices and taxes. Yet, there is a larger community out there, for whom it’s probably just another day of struggle with their inadequate family budget.

Nonetheless, every citizen contributes to the national budget, and tonight’s budget will affect everyone — directly or indirectly. Hence, economists and policy analysts are gearing up for rigorous post-budget analysis that scrutinises the impact of budget proposals on the public and the republic. I know for a fact that some leading civil society institutions in Dhaka are planning a sleepless night tonight.

The suspense of last year’s budget night was somewhat curtailed by the prior leaks of budget information. Read more of this post

ICT Act 2006: Absolute power controls absolutely

Since the act of ban has been withdrawn, this piece talks about the legal ‘Act’ that empowered that act of ban. This piece is on the Information and Communication Technology (ICT) Act, 2006 that offers absolute power to the ‘authority’ on very ambiguous grounds.

Apparently ICT Act 2006 is being followed now. There are however reports that the government has already formulated the ICT Act 2009. According to Ministry of Science and ICT, there is an ICT Act 2009. But they only provide link to Bangladesh Computer Council which actually has the gazette of ICT Act 2006, not 2009.  Ministry of Law also has the 2006 version of the Act on its website. The recent (Facebook) ban has also been linked with the 2006 Act. Hence, this piece will explores the ICT Act 2006 and discuss the absolute power it proves to the authority.

Dishonesty: Whose fault?

Section 57(1) of the act outlines the scope of cyber crime and appears most confusing. From the text of the Act it appears that even any innocent online posting can become a cyber crime, if the authority believes that it has provoked a third person to become derailed or dishonest. In other words, the crime doesn’t depend on the offensive or illicit nature of the posted material. It depends on the readers’ or viewers’ personality.

Section 57(1) of the Act says-

Read more of this post

Trials and Error

[First published in the on 5 June 2010]

Over many years, public discourse on war crimes and its trial since 1971 seems to have generated many errors, and facts are often ignored or forgotten. This piece attempts to provide a set of facts.

Pakistani and local war criminals

Some 90 to 95 thousand Pakistani prisoners of war (POWs) were imprisoned after they surrendered to the Joint Command of Bangladesh-India. Bangladesh on 29 March 1972 declared its intention to try some 1,100 Pakistani war criminals— including A.A.K. Niazi and Rao Forman Ali Khan1.

Meanwhile, some 32,000 local collaborators were arrested on various charges by September 1972. The government initially prepared for 20,000 prosecutions, while lack of evidence hindered the trial of the rest2.

The two-track trial process

Since both the Pakistani and local war criminals were liable for the crime, whether they committed the crime independently or together, each could be tried individually in the absence of the other. Hence, from the onset, two independent trial processes were established for the Pakistani and local war criminals under separate laws.

Read more of this post

নীতিভ্রষ্ট বা অসৎ বানানোর দায়

[অনলাইনে কিছু দেখে বা পড়ে অতীতে যদি আপনার নীতিভ্রষ্ট বা অসৎ হইতে উদ্বুদ্ধ হবার কোন ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে দয়া করে এই লেখাটি আর পড়বেন না। কারন লেখাটি পড়ে যদি আপনি ‘নীতিভ্রষ্ট বা অসৎ হইতে উদ্বুদ্ধ হন’ তাহলে তার দ্বায়িত্ব লেখকের নয়- এমন কথা আইনত: বলতে পারছি না।]
ঘটনার শুরু কিন্তু অতি সামান্য ঘটনা থেকে। কীভাবে যে তিল থেকে তাল হয়ে গেল! এখন এই বয়সে এই কলঙ্কের ভার তিনি কোথায় রাখেন? এই নিয়ে অরিমন বেগমের মন খুব খারাপ। শুধু কী কলঙ্ক? একেবারে দশ বছরের কারাদণ্ড এবং এক কোটি টাকা অর্থদণ্ডে দন্ডিত হবার সম্ভাবনা! কেন যে এই বয়সে এই কাজ করতে গেলেন! কী দরকার ছিল? বেশ সুখেই তো ছিলেন তিনি স্বামী-সন্তান নিয়ে। এখন কী হবে তার? কী করবেন তিনি?
ছোট মেয়ের উৎসাহে তিনি ফেসবুকে একটি একাউন্ট খুলেছিলেন। প্রোফাইলে তার একটি ছবিও দেয়া হলো। দেখতে দেখতে হারিয়ে যাওয়া বেশ কিছু বন্ধুর সন্ধানও মিললো এর মাধ্যমে। কিন্তু অঘটনটাও ঘটলো এর মাধ্যমেই। Read more of this post