আজ পূর্ণগ্রাস হর্তগ্রহণ

সচলায়তনে প্রকাশিত

আজ বছরের প্রথম পূর্ণগ্রাস হর্তগ্রহণ। সাড়ে তিন বছর পর এই পূর্ণগ্রাস আসায় বাংলাদেশে ব্যপক সাড়া পড়েছে। এই পূর্ণগ্রাস হর্তগ্রহণ উপলক্ষ্যে সরকার ও বিরোধীদল পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছে। বিরোধীদলীয় নেত্রী তাঁর বাণীতে কষ্ট হলেও “মাত্র কয়েকটি ঘণ্টা কাজ বন্ধ রেখে জালেম সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাবার জন্য সর্বস্তরের মানুষের প্রতি আবেদন জানিয়েছেন”।

এ উপলক্ষ্যে বিরোধীদল “স্মৃতি তুমি বেদনা” নামে একটি স্মৃতিচারনমূলক স্মরনীকা প্রকাশ করেছে। এতে বর্তমান বিরোধীদলের দু’বার ক্ষমতায় থাকাকালীন হর্তগ্রহণের বিপক্ষে কঠোর অবস্থান; হরতাল দমনে “আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন ২০০২” প্রবর্তন; এবং একদিন হরতালে কাজ বন্ধ থাকলে দেশ কতগুলো যমুনা সেতু থেকে বঞ্চিত হয় সে সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে।

এদিকে হরতালের কারনে জনজীবনে যে ব্যপক দুভোর্গ হয় তা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীও দু:খ প্রকাশ করেছেন। কৃষিমন্ত্রী বলেছেন– হরতাল দিয়ে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে “ওয়াদা খেলাপ করেছে” বিরোরীদল।

হর্তগ্রহণ স্মরণে সরকারীদলও “ভুলোনা আমায়” নামে একটি দেয়ালপত্রিকা প্রকাশ করেছে। এতে তাঁরা বিরোধীদলে থাকা কালে যে শতশত আংশিক ও পূর্ণগ্রাস হর্তগ্রহণ পরিবেশন করেছেন তার সংক্ষিপ্ত বিবরনসহ হরতালের গনতান্ত্রিক অধিকার নিয়ে গবেষণালব্ধ প্রবন্ধ প্রকাশ করেছেন।

হর্তগ্রহণ বাংলাদেশ সময় আজ রবিবার সকাল ৬টা ০০ মিনিট ০০ সেকেন্ডে গ্রহণ শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৬ টা ০০ মিনিট ০০ সেকেন্ডে শেষ হবে। পূর্ণগ্রাস গ্রহণের স্থায়িত্ব হবে ১২ ঘন্টা ০০ সেকেন্ড। রাজধানী ঢাকাসহ বাংলাদেশের সকল জেলায় পূর্ণ হর্তগ্রহণ দেখা গেলেও হর্তগ্রহণের উষ্ণতা রাজধানী ঢাকাতেই বেশি অনুভূত হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এরই মধ্যে হর্তগ্রহণের প্রাক-উষ্ণতায় গতরাতে কিছু গাড়ি ভষ্মীভূত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মহাজাগতিক এ দৃশ্য দেখতে দেশের কোটি কোটি মানুষ আজ বিশেষ ব্যবস্থায় চোখ-কান খোলা রাখবেন বলে অনুমান করা হচ্ছে।

Advertisements

Comments are closed.

%d bloggers like this: