Where has all the rage gone?

Evidently, Facebook is the second most popular site in Bangladesh, after Google. People (read new voters) aged between 18 to 34 constitute three quarters of Bangladesh’s total users. So when an all-out ban was imposed, one would definitely expect a widespread response.

Instead, most newspaper reported the news as if the baning was a ‘requirement’! Looks like everything is normal! And most surprisingly, there seems to have a bi-partisan movement here, where left and right wing newspapers are reporting the event in the same manner!

Prothom Alo and Amar Desh made similar reports saying that the site was blocked for hurting religious sentiment and making cartoons of national leaders (SH-KZ), but didn’t criticize the ban in anyway.

Read more of this post


Can human rights be de-religionized?

[After “Text and Context of Religious Veil” ]

1. There are human rights activists who see the religious texts as a weapon at the hands of men to dominate women. There are global human rights campaigns that promote women’s rights irrespective of religion. But then that campaign needs to demarcate secular and religious arguments. I denounce the Western Islamophobic politics. But Irene Khan’s argument that ‘for many Muslims the attack on the burqa is an attack on what they consider to be a legitimate form of cultural identity’ is also incomplete. This does not question the fundamental problem with Shariah that for generations contributed to that ‘gender-based cultural identity’. Gender-prejudice of different religious doctrines needs to be highlighted.

2. For those who believe that human rights can’t be de-religionized, I think it is important to highlight the double standards of clergies in manipulating religious texts and ignoring their context. It is important if a campaign intends to reach the religious mass and address the source. Read more of this post

সেই ১৯৫ পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধী [শেষ পর্ব]

[পূর্ব প্রকাশিতের পর। পর্ব ১পর্ব ২পর্ব ৩]

বাংলাদেশকে যে কোন দেশের স্বীকৃতিকেই যিনি ‘শত্রুভাবাপন্ন কাজ’ হিসেবে বিবেচনা করতেন, সেই ভুট্টকে বাংলাদেশের কাছে ক্ষমা চাওয়ানোর কাজটি অবশ্যই সহজ ছিল না। পাকিস্তানের ক্ষমা প্রার্থনা, স্বীকৃতি-কূটনীতি আর সেই ১৯৫ যুদ্ধাপরাধীর শেষ পর্যন্ত কী হলো এবং এর সাথে কিছু প্রশ্নের উত্তর নিয়েই এই শেষ পর্ব।

স্বীকৃতি-নাটকের সমাপ্তি
পাকিস্তানের সম্পদ ও দেনার বন্টনসহ বাংলাদেশ-পাকিস্তানের অমীমাংসীত বিষয়গুলি নিয়ে মুজিব-ভুট্ট বৈঠকে দুই দেশই আগ্রহ প্রকাশ করে। কিন্তু শেখ মুজিব শর্ত দেন যে, পাকিস্তানের স্বীকৃতি ব্যতীত কোন আলোচনা হবে না। অন্যদিকে ভুট্ট শর্তদেন যে, আলোচনার পর স্বীকৃতি দেয়া হবে। এবিষয়ে ভারত শেখ মুজিবকে রাজি করানোর জন্য উদ্যোগী হলে তিনি বলেন, ‘চীনের ভেটো ব্যবহার করে পাকিস্তান বাংলাদেশকে ব্ল্যাকমেইল করেছে। ফলে স্বীকৃতির বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান আরো শক্ত হয়েছে। প্রথমে স্বীকৃতি, তারপর আলোচনা।[৪৬] এদিকে ১০ই জুলাই ১৯৭৩ সনে পাকিস্তানের সংসদ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানের জন্য ভুট্টকে শর্তসাপেক্ষ ক্ষমতা প্রদান করে। তবে ভুট্ট বলেন, পাকিস্তানী সৈন্যদের বিচারের দাবী ত্যাগ না করা পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিবেন না।[৪৭]

এদিকে তেল ও মধ্যপ্রাচ্যের সমস্যা নিয়ে ২২-২৪ ফেব্রুয়ারী ১৯৭৪ সনে লাহোরে ইসলামিক সম্মেলন অনুষ্ঠানের ক্ষণ ধার্য হয়। মুসলিম জনগোষ্ঠীপ্রধান দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অংশগ্রহনে আরব দেশগুলির আগ্রহের প্রেক্ষিতে ভুট্ট শেখ মুজিবর রহমানকে আমন্ত্রণ জানাতে রাজী হন। কিন্তু স্বাধীন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকার প্রধান হিসেবে আমন্ত্রণ না করে, শেখ মুজিবকে পূর্বাঞ্চলের মুসলিম জনগোষ্ঠীর নেতা হিসেবে আমন্ত্রণ জানানোর সীদ্ধান্ত হয়। কিন্তু ১৮ ফেব্রুয়ারী ১৯৭৪ শেখ মুজিবর রহমান এক দলীয় সভায় পাকিস্তানের উদ্দেশে বলেন, আমরা আপনাদের স্বীকৃতির পরোয়া করিনা। Read more of this post

Text and Context of Religious Veil

The controversy surrounding the use of Veil for women is not new, but this time it got another new dimension. There seems to have a conflict between those who forcefully introduces women’s veil and those who forcefully bans women’s veil. Not sure if it’s a choice between two doctrines and Campaigner for and against veil are finding themselves between a rock and a hard place.

1. Problem one: Men?
An orthodox verdict that asks women to put on one-eyed veil because two eyes are too seductive; or calling unveiled women abandoned-meat in front of animals actually tells us where the problem is.
If men suffers from such “chronic seduction” and are really animal-like, as the clerics suggest, then why not focus on men? Probably society was not a position to address the problem before, but haven’t we passed the medieval age?
Arguments of logicat, sara et al at the UV blog appears convincing on this ground.

2. Problem two: State?
At the same time, imposing ban for the politics with veil that instigate Islamophobia is not only diminishes the rights , it can also derail the campaign for the very cause. Here arguments of Irene Khan make sense. Read more of this post

সেই ১৯৫ পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধী [পর্ব ৩]

সচলায়তনে প্রকাশিত

[পূর্ব প্রকাশিতের পর। পর্ব ১পর্ব ২]

এবার ভারতের উল্টোরথ
ভারতীয় কুটনীতিক দূর্গা প্রসাদ ধরের বক্তব্য উদ্ধৃত করে আগেই বলা হয়েছে যে যুদ্ধাপরাধের বিচারে ভারত শুরুতে কিছুটা অনাগ্রহী ছিল। পরবর্তীতে বাংলাদেশের অব্যাহত চাপে অভিযুক্ত যুদ্ধাপরাধীদের হস্তান্তরে রাজী হলেও, ধীরে ধীরে ভারত বিচার-বিরোধী অবস্থান প্রকাশ করা শুরু করে।
ইতমধ্যে চিহ্নিত ১৯৫ যুদ্ধাপরাধীর বাইরে যেন আর কোন পাকিস্তানী সৈন্যের বিচারে বাংলাদেশ আগ্রহী না হয়, ভারত সেজন্য চাপ প্রয়োগ অব্যাহত রাখে। ১৯৭৩ সনের এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে ভারতীয় বিশেষ কুটনীতিক পি এন হাস্কর যখন ঢাকা সফরে আসেন, তখন ভারতীয় প্রভাবশালী দৈনিক ‘দি স্টেটসম্যান’-এর এক সম্পাদকীয়তে বলা হয়, “বাংলাদেশকে যে আরো সহনশীলতা ও রাজনৈতিক নমনীয়তা প্রদর্শন করতে হবে, এই কথাটা যেন হাস্কর সাহেব নম্র কিন্তু জোরালো ভাবে বাংলাদেশকে জানিয়ে দেন”। [৩৪] Read more of this post

সেই ১৯৫ পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধী [পর্ব ২]

সচলায়তনে প্রকাশিত

[পর্ব ১ এর পর]

দ্বিপাক্ষিক প্রচেষ্টা ও জাতিসংঘে ভেটো

প্রায় ৯০ থেকে ৯৩ হাজার পাকিস্তানী বন্দীর ভরন-পোষণ এবং নিরাপত্তা বিধান ভারতের জন্যও একটি সমস্যা হয়ে ওঠে। ইতমধ্যে ভারতের বন্দি শিবিরগুলিতে একাধিকবার বিদ্রহের ঘটনা ঘটে। [১৫] পাকিস্তান একাধিকবার প্রচেষ্টা চালায় যেন ভারতের সাথে দ্বিপাক্ষিক ভাবেই বন্দী মুক্তি সম্পন্ন করা যায়। কিন্তু বাংলাদেশ সরকারের বাধার কারনে তা সম্ভব হয়নি। বাংলাদেশের যুক্তি ছিল যে, ঐসব পাকিস্তানী সৈন্য ভারত-বাংলাদেশের যৌথ বাহিনীর কাছে আত্নসমর্পণ করেছে এবং বাংলাদেশের অনুমতি ছাড়া ভারত তাদের মুক্ত করতে পারে না। কিন্তু ভুট্ট দাবী করেন যে আটক সৈন্যরা মুলত: ভারতের বন্দী এবং যৌথ বাহিনীর কথা বলে আসলে পাকিস্তানের চোখে ধুলো দেয়া হচ্ছে। [১৬]

এই প্রক্ষিতে ১০ই আগস্ট ১৯৭২ এক সংবাদ সম্মেলনে ভুট্ট বলেন, “বাংলাদেশ ভেবেছে যে আমাদের বন্দীদের মুক্ত করার ব্যপারে তাদের ভেটো ক্ষমতা আছে”, কিন্তু “ভেটো আমাদের হাতেও একটি আছে”। [১৭] Read more of this post

সেই ১৯৫ পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধী [পর্ব ১]

সচলায়তনে প্রকাশিত

স্বাধীনতার পর ১৯৫ জন পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীর ছাড়া পাবার বিষয়টি ইদানিং সবত্রই আলোচিত হচ্ছে। একাত্তরের যুদ্ধে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবার পর এমন প্রশ্নও তোলা হচ্ছে যে, ভারতের নিকট আটক থাকা ঐ ১৯৫ জন পাকিস্তানীই ছিল প্রকৃত অপরাধী, এবং তখন পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধীদের ছেড়ে দিয়ে এখন স্থানীয় যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা সম্ভব নয়।

মুলত: কেন এবং কিভাবে সেই ১৯৫ জন পাকিস্তানী যুদ্ধাপরাধী ছাড়া পেয়েছিল তা উদ্ঘাটনই এই লেখার উদ্দেশ্য। বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আর্ন্তজাতিক পত্রিকায় ডিসেম্বর ১৯৭১ থেকে এপ্রিল ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত সময়ে প্রকাশিত এ সংক্রান্ত খবর এবং স্বাক্ষরিত বিভিন্ন চুক্তিপত্র উদ্ধৃত করে মূল ঘটনাপ্রবাহটি তুলে ধরা হয়েছে। লেখাটি তথ্যভিত্তক রাখার জন্য মন্তব্য বা সম্পাদকীয় কলাম যথাসম্ভব পরিহার করে মুলত: খবরাখবরই উদ্ধৃত করা হলো। উল্লিখিত অধিকাংশ খবরই যদিও দেশি-বিদেশি একাধিক পত্রিকাতে ছাপা হয়েছিল, তবু ঘটনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য এখানে নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর খবরই বেশি উদ্ধৃত করা হয়েছে। Read more of this post